মুটিয়ে যাওয়া রোধের উপায়
নিয়ম মেনে খেলে এবং ব্যায়াম করলে এই সমস্যা থেকে অনেকটাই রেহাই পাওয়া সম্ভব।
স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে এ বিষয়ে কিছু বাস্তবধর্মী পরামর্শ দিচ্ছেন ভারতের ব্যারিয়াট্রিক সার্জন ডা. মুফাজ্জল লাকদাওয়ালা।
- স্থূলতাকে এক ধরনের রোগ হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। অন্যান্য রোগ যেমন ওষুধ বা টিকায় সেরে যায়, স্থূলতা সেভাবে সারানো যায় না। এই রোগ থেকে মুক্তি পেতে চাই জীবনযাত্রা আর খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন। স্থূলতা দুরারোগ্য সব ব্যাধিতে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে, যার মধ্যে আছে টাইপ টু ডায়বেটিস, হাইপারাটেনশন, নিদ্রাহীনতা, পিত্ত থলিতে পাথর, বন্ধ্যাত্ব, অস্টিওআর্থ্রাইটিস,
- নিজের ওজন যদি স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি মনে হয় তাহলে আর দেরি করা উচিত হবে না। স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস আর ব্যায়ামের মাধ্যমে জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনতে হবে। এটা হবে স্থূলতার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আপনার প্রথম ধাপ।
- কার্ডিওভাস্কুলার ব্যায়ামের জন্য প্রতিদিন অন্তত আধা ঘণ্টা সময় হাতে রাখুন। এজন্য দামি যন্ত্রপাতি কিংবা ব্যায়ামাগারে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। হাঁটা, দৌড়ানো, সাইক্লিং বা সাঁতারের যে কোনো একটি ওজন কমাতে কার্যকর। সপ্তাহে অন্তত তিন দিন ব্যায়াম করা জরুরি।
-‘অল্পদিনেই ওজনমুক্তি’ এ জাতীয় বিজ্ঞাপন এড়িয়ে চলতে হবে। যে কোনো ওষুধ ডাক্তারের পরামর্শ নিয়েই সেবন করতে হবে। তা নাহলে এসবের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া মারাত্মক হতে পারে।
- ওজন নিয়ন্ত্রণে রেখে সুস্বাস্থ্যের জন্য ধূমপান ত্যাগ করতে হবে। ধূমপান ওজন কমায় এটি সম্পূর্ণ ভ্রান্ত ধারণা। যদিও ধূমপান আহারের রুচি কমায়। তবে এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া মারাত্মক।
- মদ্যপান ত্যাগ করুন। বেশিরভাগ অ্যালকোহলেই প্রচুর চর্বিজাতীয় উপাদান থাকে। যার পরিমাণ তৈলাক্ত ভাজাপোড়া খাবারে উপস্থিত ফ্যাটজাতীয় উপাদানের সমান। তাই মোটাত্ব থেকে রেহাই পেতে অ্যালকোহল থেকে দূরে থাকতে হবে।
মূল কথা হল কোনোভাবেই হতাশ হওয়া চলবে না। স্থূলতার কোন পর্যায়ে আছেন তার ভিত্তিতে সমাধারে পথ বেছে নিতে হবে। তা হতে পারে জীবনযাত্রার পরিবর্তন থেকে শুরু করে, ডায়েট, ব্যায়াম কিংবা সার্জারি
Posted in: Health Tips
0 মন্তব্য(গুলি):
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন